
গাজীপুর প্রতিনিধিঃ গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার ১নং সিএন্ডবি বাজার ইজারাদার আক্তার হোসেন ও তার ভগ্নিপতি কাছে স্থানীয় একটি মহলের সন্ত্রাসী বাহিনী সমঝোতার নামে চাঁদা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। চাঁদা না পেয়ে পরিবারের পাঁচজনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ তুলে থানায় লিখিত দিয়েছেন ইজারাদার।
১নং সিএন্ডবি বাজার ইজারাদার আক্তার হোসেন দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি। তিনি বলেন, তিনি চলতি বছর (১৪৩১ সন) সর্বোচ্চ ২,৬১,৪৫০ টাকা মূল্য দিয়ে ১নং সিএন্ডবি বাজার ইজারা নেন। প্রথম ১ মাস ধরে নিজেই খাজনা আদায় করে আসছিলেন। এরপর হতে পূর্বের ইজারাদার হিজড়ার শতাংশ তাকে লিখে দেওয়ার জন্য অথবা ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা হিসেবে দেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছে। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পূর্বের ইজারাদারের প্রত্যক্ষ ইন্ধনে স্থানীয় নাজমুল, রুবেল, আশিক, উজ্জ্বল, আরমান সহ একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী খাজনা তুলতে নিষেধ করেন। নিষেধ অমান্য করে খাজনা আদায় করতে গেলে বাধা দিয়ে সমঝোতা করতে বলেন। তাহাদের তিনি বলেছেন, সরকারকে রাজস্ব দিয়ে ইজারা নিয়েছেন, কিসের সমঝোতা? এতে শুনলে কিতা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীটি ক্ষিপ্ত হন।
আক্তার হোসেন বলেন, গত ২ সেপ্টেম্বর তাহার এইচএসসি পরীক্ষার্থী ভাগিনা সানি খাজনা তুলতে যান। এ সময় স্থানীয় নাজমুল, রুবেল, আশিক, উজ্জ্বল, আরমানসহ ১০–১২ জন খাজনা তুলতে নিষেধ করেন। এ নিয়ে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে সানি তাহার চাচাতো ভাই জুনাইদকে মারধর করে। খবর পেয়ে সাকিল, আমার ভগ্নিপতি আজিজুল, তাহার ভাই নুরুল ইসলাম এবং তাহার ছেলে সুমন ঘটনাস্থলে যান। তখন সন্ত্রাসীরা লোহার রড, ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করেছে। হামলাকারীরা জুনাইদের মাথার মধ্যে রড ঢুকিয়ে দিয়েছে। সানির হাত ভেঙে ফেলেছে ও সুমনের মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে। স্থানীয় লোকজন আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে শহীদ তাজ উদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
অভিযোগের ব্যপারে যোগাযোগ করা হলে স্থানীয় নাজমুল বলেন, ‘সমযোতার নামে চাঁদা দাবির অভিযোগ সঠিক নয়। তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে মারামারি হয়েছে।’
এ প্রসঙ্গে শ্রীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার সোহেল বলেন, হামলার ঘটনা শুনেছেন। বাদী পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
Leave a comment